একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-০৫ (ডেমরা-যাত্রবাড়ী ও আংশিক কদমতলী) আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লার মৃত্যুতে আসনটি শূন্য ঘোষনা হওয়ায় এলাকার উন্নয়নের ধারা তরান্বিত করতে, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শের সৈনিক, জননেত্রী শেখ হাসিনার আস্থাভাজন, সব শ্রেণী পেশা মানুষের আপদে-বিপদের পরম বন্ধু, আওয়ামীলীগের ত্যাগী-নিবেদিতপ্রাণ ও সাবেক সফল ছাত্রনেতা বর্তমান ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ এর সংগ্রামী সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ কামরুল হাসান রিপনকে ঢাকা-৫ আসনের এমপি হিসেবে দেখতে চায় সর্বস্তরের জনগণ।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঢাকা-৫ আসনের আওতাধীন এলাকায় আলহাজ্ব মোঃ কামরুল হাসান রিপনকে দলমত নির্বিশেষে এমপি হিসেবে দেখতে চান তৃণমূলের আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ। প্রতিটি ওয়ার্ডের সর্বশ্রেণীর মানুষের মধ্যে তার আকাশচুম্বি যে জনপ্রিয়তা রয়েছে তাতে তাকে ঢাকা-৫ আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিলে তার বিজয়ী হওয়া সুনিশ্চিত।
আলহাজ্ব মোঃ কামরুল হাসান রিপনকে নিয়ে জনমত জরিপের অংশ হিসেবে এবার আমরা ঢাকা-৫ আসনের সাধারন জনগনের মতামত জানার চেষ্টা করেছি। তারা বলছে আলহ্বাজ মোঃ কামরুল হাসান রিপনের আকাশ ছোঁয়া জনপ্রিয়তা রয়েছে। দলীয় মনোনয়ন পেলে তিনি বিজয় ছিনিয়ে আনবেন। সাধারণ লোকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সহজ সরল মানুষ হিসেবে আলহাজ্ব মোঃ কামরুল হাসান রিপনকে সকলেই পছন্দ করেন এবং তার জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি।তবে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে জনপ্রিয়তার বিচারে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি কামরুল হাসান রিপন। তিনি পরিছন্ন ও ক্লিন ইমেজ রাজনীতিবিদ হিসেবেই পরিচিত। নব্বইয়ের দশকে রাজনীতি শুরু করেন কামরুল হাসান রিপন। ১৯৯২ সালে দনিয়া কলেজের ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক, ১৯৯৫-৯৮ পর্যন্ত জবি হিসাব বিজ্ঞান শাখা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক, ১৯৯৮-২০০৩ পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক, ২০০৩-২০১০ পর্যন্ত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সভাপতি, ২০০৬ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন এবং কাউন্সিলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির।পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনেও দীর্ঘদিন থেকে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে বাংলাদেশ হিসাব বিজ্ঞান সমিতির কার্যকরী কমিটির সদস্য এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একাউন্টটিং এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সময় কামরুল হাসান রিপন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন। জানা যায়, ঐ সময় রিপনের নেতৃত্বেই ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত হয় ছাত্র শিবির। তার নেতৃত্বে শিবিরের সাথে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের মূহুর্মূহু সংঘর্ষ হয়। ঐ সংঘর্ষগুলোতে ছত্রলীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিজের শরীরের রক্তও ঝড়িয়েছিলেন রিপন। নিজের জীবনকে তুচ্ছ মনে করে শিবিরের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যান। তখন রিপন সারাদেশে ‘শিবির নিধন রিপন’ হিসেবে বেশি পরিচিতি লাভ করেন।ওয়ান ইলেভেনের লড়াই সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে চার-পাঁচ বার জেল খাটা ও প্রায় ২৫ টি মামলা খেতে হয়েছে। বর্তমানে তরুনদের কাছে স্বেচ্ছাসেবক লীগের আইকন হিসেবে রাজনীতির অঙ্গনে পরিচিতি লাভ করেছেন কামরুল হাসান রিপন। রিপন দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছেন। জনগণের খোঁজ-খবরও নিয়মিত রাখেন। বর্তমানে মহামারী করোনা পরিস্থিতিতে এলাকাবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছেন রিপন। তিনি ব্যক্তিগত ভাবে নিয়মিত সাধারন মানুষের মাঝে ত্রাণ ও রোজাদারদের মধ্যে ইফতার বিতরণ করে যাচ্ছেন। তার নেতৃত্বেইে পিছিয়ে পড়া ডেমরা থানা আওয়ামীলীগের কার্যক্রম অনেকটা গতিশীলতা পেয়েছে। তিনি জনপ্রতিনিধি না হয়েও ডেমরা-যাত্রাবাড়ী ও কদমতলী তথা ঢাকা-৫ আসনের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে নানান ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন।