ফোরকানুল ইসলাম, কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি :

আজ ৬ ডিসেম্বর। কলাপাড়া উপজেলা মুক্ত দিবস। ৫ হানাদার এবং বেশ কয়েকজন রাজাকারকে থানার সম্মুক্ষে গুলি করে খতম করে মুক্তিযোদ্ধারা হানাদার মুক্ত করে এই উপজেলা। নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কিছুটা জানলেও এখনো অনেকে জানেনা হানাদার মুক্ত দিবসের ইতিহাস।

১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর বিকেলে মুক্তিযোদ্ধারা গলাচিপা থেকে ভাট্রি নামের একটি জাহাজে কলাপাড়ায় আসেন। এতিমখানা ব্রিজের ওখানে এসে পৌছলে পাক-হানাদার বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলি হয়। এসময় দুই পাক বাহিনীর মৃত্যু হয়। তারপরও পাকবাহিনী পিছু হঠেনি। পরদিন রাত আটটায় সাবেক নির্বাচন কমিশনার মুক্তিযোদ্ধা কেএম নুরুল হুদা, হাবিবুল্লাহ রানাওমরহুমনাজমুল সালেকের রেফিকর ফলশ্রুতিতে ৫৩ জনমুক্তিযোদ্ধাকলাপাড়া থানা ভবন তিনদিক থেকে আক্রমন করেন।

৭ ঘন্টা ত্রিমুখী আক্রমনের ফলে হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পন করেন। এতে দুই রাজাকার এবং আরিফুর রহমান মুকুল নামের এক মুক্তিযোদ্ধা আহত হয়। পরে ৬ ডিসেম্বর সকালে মুক্তিযোদ্ধারা কলাপাড়া থানা ভবন দখল করে উড়িয়ে দেয় স্বাধীন পতাকা। হানাদার মুক্তের এ ইতিহাস নতুন প্রজন্মের অনেকের কাছে এখনো অজানা।

তাং: ০৬.১২.২০২৩ ইং:
মোবা: ০১৭১৮-০৩৫৩৯১।