লক্ষ্মীপুরের দক্ষিন পূর্বাঞ্চলের কুশাখালী ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেহাল দশা

এমএমবি আকরাম ভূঁইয়া, চন্দ্রগঞ্জ থানা প্রতিনিধি:
কুশাখালী শান্তিরহাট বাজারে অত্র ইউনিয়নের প্রধান শহীদ মিনারটি অবস্থিত, এর দুপাশে একটি হাইস্কুল এবং একটি প্রাইমারি স্কুল।বিভিন্ন দিবসে বিভিন্ন সামাজিক,রাজনৈতিক সংগঠন গুলো ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আসে। কিন্তু কেউ এই শহীদ মিনারটি সংস্কার কথা কেউ ভাবেনি,যেখানে শহীদদের সম্মানে স্রদ্ধা জানায়, আগামীর প্রজন্মদের কথা স্বরন করেই মূলত এই শহীদ মিনার স্থাপন করা হয়েছে, অরুচিকর পরিবেশে ভাঙ্গা শহীদ মিনারে স্মরন করেন কুশাখালী ইউনিয়ন বাসি।যে শহীদ মিনারের সম্মান পুরো পৃথিবী দিতে শিখছে, সেই মিনারের সম্মান আমরা দিতে শিখিনী। অনেকবার কতৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কিন্তু কোনো পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি,এই শহীদ মিনারটি নির্মাণ হওয়ার পর ২বছর ভালো অবস্থা থাকে, তারপর থেকে বেহাল অবস্থা হয়ে চলছে, নেই কোনো সংস্কার,ইউনিয়নের জন্য বিভিন্ন নির্মাণ কাজের টাকা বাজেট হয় উক্ত শহীদ মিনারের জন্য কি কিঞ্চিৎ পরিমাণ টাকা বাজেট হয়নাই, এ ব্যাপারে স্কুলের সুনামধন্য শিক্ষক জনাব সিরাজ উদ্দীন স্যার, কুশাখালী ব্লাড ব্যাংকের সাধারন সম্পাদক এমডি রিফাত মাহমুদ ও স্থানীয় জন প্রতিনিধি, ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা আওয়ার বাংলাদেশ পত্রিকার চন্দ্রগঞ্জ থানা প্রতিনিধি মোসাদ্দেক-বিল্লাহ আকরাম ভূঁইয়াকে বলেন: শহীদ মিনারটি সংস্কার করা হোক তদের প্রানের দাবী, তারা আরো বলেন আমরা প্রশাসন এবং সরকারী সংস্থার দ্বায়িত্বশীলদের প্রতি দাবি জানাবো, যেনো এই শহীদ মিনারটি সংস্কার করে,যদি প্রশাসন একটু খবর রাখে তাহলে ইউনিয়ন বাসীর প্রানের দাবি এই শহীদ মিনারটি সংস্কারের কাজ হবে বলে জানান এলাকাবাসী।শহীদ মিনারটি অবস্থিত, এর দুপাশে একটি হাইস্কুল এবং একটি প্রাইমারি স্কুল।বিভিন্ন দিবসে বিভিন্ন সামাজিক,রাজনৈতিক সংগঠন গুলো ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে আসে। কিন্তু কেউ এই শহীদ মিনারটি সংস্কার কথা কেউ ভাবেনি,যেখানে শহীদদের সম্মানে স্রদ্ধা জানায়, আগামীর প্রজন্মদের কথা স্বরন করেই মূলত এই শহীদ মিনার স্থাপন করা হয়েছে, অরুচিকর পরিবেশে ভাঙ্গা শহীদ মিনারে স্মরন করেন কুশাখালী ইউনিয়ন বাসি।যে শহীদ মিনারের সম্মান পুরো পৃথিবী দিতে শিখছে, সেই মিনারের সম্মান আমরা দিতে শিখিনী। অনেকবার কতৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কিন্তু কোনো পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়নি,এই শহীদ মিনারটি নির্মাণ হওয়ার পর ২বছর ভালো অবস্থা থাকে, তারপর থেকে বেহাল অবস্থা হয়ে চলছে, নেই কোনো সংস্কার,ইউনিয়নের জন্য বিভিন্ন নির্মাণ কাজের টাকা বাজেট হয় উক্ত শহীদ মিনারের জন্য কি কিঞ্চিৎ পরিমাণ টাকা বাজেট হয়নাই, এ ব্যাপারে স্কুলের সুনামধন্য শিক্ষক জনাব সিরাজ উদ্দীন স্যার, কুশাখালী ব্লাড ব্যাংকের সাধারন সম্পাদক এমডি রিফাত মাহমুদ ও স্থানীয় জন প্রতিনিধি, ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে কথা বললে তারা স্থানীয় সংবাদ কর্মী মুহা. মোসাদ্দেক-বিল্লাহ আকরাম ভূঁইয়াকে বলেন: শহীদ মিনারটি সংস্কার করা হোক তদের প্রানের দাবী, তারা আরো বলেন আমরা প্রশাসন এবং সরকারী সংস্থার দ্বায়িত্বশীলদের প্রতি দাবি জানাবো, যেনো এই শহীদ মিনারটি সংস্কার করে,যদি প্রশাসন একটু খবর রাখে তাহলে ইউনিয়ন বাসীর প্রানের দাবি এই শহীদ মিনারটি সংস্কারের কাজ হবে বলে জানান এলাকাবাসী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *