বরকতময় রজনী লাইলাতুল কদর

মো:রিয়াজুর রাশিদ রুবেল।নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)প্রতিনিধি। পবিত্র রমজান মাস দেখতে দেখতে আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিতে চলছে আজকে রমযানের ২৫ তারিখ।মহান আল্লাহ পবিত্র কুরআন পাকে ইরশাদ করেন, ” নিশ্চয়ই আমি পবিত্র কুরআন নাজিল করেছি লাইলাতুলকদর এ,আর লাইলাতুলকদর এমন রাত যা হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম। সুরা আল ক্বদর।অর্থাৎ এটি পবিত্র রমজান মাসের মধ্যে একটি মাত্র রাত যা প্রত্যেক বছর রমজান মাসে ফিরে আসে।দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত লাইলাতুলকদর প্রথম শব্দ লাইলাতুন অর্থ রাত আর ক্বদর অর্থ ভাগ্য, বরকত, ইত্যাদী।একসাথে লাইলাতুলকদর অর্থ ভাগ্যরজনী। যে রাতে আল্লাহ কুরআন পাক নাজিল করেছেন।
কিন্তু এটি নির্ধারিত কোন রাত্রী নয়।বিশ্বনবী (সঃ) বলেন, তোমরা লাইলাতুলকদর কে তালাশ কর রমযানের শেষ দশকে, বুখারি শরীফ হাদিস নং ২০২০।এর দ্বারা বুঝা যায় রমযানের শেষ দশদিন লাইলাতুলকদর এর ফযিলত অর্জনের জন্য রাত্রী জাগরন করে ইবাদত করতে হবে।অন্য হাদিসে নবীজি সঃ বলে তোমরা লাইলাতুলকদর কে তালাশ কর রমজানের শেষ দশকের বেজোর রাত্রীগুলোতে।অর্থাৎ ২১,২৩,২৫,২৭ ও ২৯ তম রাতকে বুঝানো হয়েছে। এই রাতগুলোতে জাগ্রত থেকে ইবাদত করতে পারলে লাইলাতুলকদর এর বরকত পাওয়া সম্ভব। আর তবেই পাওয়া যাবে এক রাতে হাজার রাতের সওয়াব যা ৮৪ বছরের চেয়ে বেশি সময়।কেউ মনে করে রমজানের ২৭ তম রাত হলো লাইলাতুলকদর এটি সম্পুর্ন ভুল ধারনা।বিশ্বনবী সঃ বলেন আমাকে ভুলিয়ে দেওয়া হয়েছে কোন রাত লাইলাতুলকদর। তাহলে আমরা কেন নির্দিষ্ট করে নেই??লাইলাতুলকদর এ করনীয়ঃ লাইলাতুলকদর এ করনীয় বিষয় হলো বেশি বেশি তওবা ইস্তেগফার করা। কুরআন তেলাওয়াত, নফল নামাজ এবং দোয়া করে রাত্রী জাগড়ন করা।একটি বিশেষ দোয়া বিশ্বনবী শিক্ষা দিয়েছেন তা হলো।الهم انك عفو تحب العفو فعف عنيউচ্চারণ, আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুব্ভুন কারিম তুহিব্বুল আফওয়া ফা’ফু আন্নী।এভাবে ই পার করবো মহিমান্বিত রজনী লাইলাতুলকদর আল্লাহ আমাদের সকলকে মহামারী করোনা থেকে মুক্তি দান করেন। আমিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *