বরগুনার আমতলী উপজেলার চাওড়া চন্দ্রা গ্রামের সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা মারিয়া আক্তার
(১৯) পারিবারিক কলহের জের ধরে স্বামী রাকিবুল ইসালামের সাথে অভিমানে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার সকালে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয়রা তদন্ত সাপেক্ষে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবী করেছেন।
ঘটনা ঘটেছে বুধবার সন্ধ্যায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী রাকিবুল পলাতক রয়েছেন।
জানাগেছে, ২০১৯ সালে জুন মাসে উপজেলার চাওড়া কাউনিয়া গ্রামের বাবুল মোল্লার ছেলে রাকিবৃুল ইসলাম মোল্লার সাথে বিয়ে হয়।
বিয়ের পর থেকেই স্বামী রাকিবৃুল বিভিন্ন সময় নানা অজুহাতে স্ত্রীকে নির্যাতন করে আসছেন।
নির্যাতন সইতে না পেরে ১৫ দিন পূর্বে মারিয়া বাবার বাড়ীতে চলে যান।
কিন্তু বাবার বাড়ীতে আসার পরও ক্ষান্ত হয়নি স্বামী রাকিবৃুলের নির্যাতন এমন অভিযোগ স্বজনদের।
প্রায়ই মোবাইল ফোনে মারিয়াকে গালাগাল করতেন।
স্বামীর নির্যাতন সইতে না পেরে বুধবার দুপুরে বাবার বাড়ীর ঘরের রুয়ার সাথে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন।
ওই সময়ে ঘরে কেউ ছিল না।
প্রতিবেশীদের ঘর বন্ধ দেখে সন্দেহ হয়।
পরে তারা ঘরের রুয়ার সাথে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মারিয়াকে দেখতে পান।
খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে অন্তঃসত্ত্বার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা মর্গে প্রেরণ করেছে।
এ ঘটনায় আমতলী থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
ঘটনার পর থেকে স্বামী রাকিবুল পলাতক রয়েছেন।
রাকিবুলের বাবা মোঃ বাবুল মোল্লা নির্যাতনের কথা অস্বীকার করে বলেন,
কি কারণে আত্মহত্যা করেছে তা আমার জানা নেই! আমতলী থানার ওসি মোঃ শাহ আলম হাওলাদার বলেন, এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।
মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য বরগুনা মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
তারিখ ১৬-১০-২০২০ ইং,মংচিন থান,বরগুনা প্রতিনিধিঃ
