রূপগঞ্জ প্রতিনিধি ঃ প্রতিদিনই হু হু করে বাড়ছে করোণায় আক্রান্তের সংখ্যা। এ নিয়ে জনমনে তৈরি হয়েছে শঙ্খা। বাজারগুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভিড় সামলাতে পারছে না প্রশাসন। মানছে না কেউ সামাজিক দুরত্ব। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে উপজেলার সকল মার্কেট ও হাটগুলো। এতে ব্যবসায়ীরা পড়েছেন বিপাকে। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে করোনাভাইরাসে সংক্রমণে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের বৃহৎ পাইকারি কাপড়ের বাজার গাউছিয়াসহ উপজেলার সকল মার্কেট ও হাট-বাজার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। গত বুধবার রাতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা প্রদান করা হয়। গণ-বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নভেল করোনাভাইরাস (কভিড-১৯) এর সংক্রমণ দিনদিন বেড়েই চলছে। এ অবস্থায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে গাউছিয়া মার্কেট ও উপজেলার অন্যান্য মার্কেটসহ সকল হাট বাজার বন্ধ থাকবে। শুধুমাত্র কাঁচাবাজার সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। ঔষুধের দোকান খোলা থাকবে ২৪ ঘণ্টা। এর আগে, সরকারি নিদের্শনা মেনে গত ১০ মে থেকে দেশের বৃহৎ কাপড়ের বাজার গাউছিয়া মার্কেট খোলা হয়। মার্কেটে প্রায় ৭ হাজার দোকান রয়েছে। সামাজিক মেনে দূরত্ব মেনে চলাচলের শর্তে গাউছিয়া মার্কেট খোলার অনুমতি দিয়েছিল প্রশাসন। সামাজিক দূরত্বের শর্ত মেনে মেনে মার্কেট খোলা হলেও বাস্তবে মার্কেটের ভেতরে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় দেখা গেছে। এছাড়া উপজেলা অন্যান্য মার্কেটগুলাতেও সামাজিক দূরত্ব মানতে দেখা যায়নি। গত ১৩ মে দেশের বৃহৎ কাপড়ের বাজার গাউছিয়া মার্কেটে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা, উপচেপড়া ভিড় নিয়ে দেশ রূপান্তরে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি উপজেলা প্রশাসন ও মার্কেটের দোকান মালিক সমিতির নজরে আসে। উপজেলা প্রশাসন ও মার্কেটের দোকান মালিক সমিতির সমন্বয়ে করোনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় মার্কেটটি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এছাড়া এর সঙ্গে উপজেলার অন্যান্য মার্কেট বন্ধের নির্দেশনা দেওয়া হয়। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, এ পর্যন্ত উপজেলায় ৯৮ জন করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মমতাজ বেগম জানান, দিন দিন করোনা রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়ে যাওয়ায় উপজেলার গাউছিয়া মার্কেটসহ সকল মার্কেট ও হাট বাজার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত সকল মার্কেট ও হাট বাজার বন্ধ থাকবে। তবে ঔষুধের দোকান খোলা থাকবে।